সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
-
ক
কুমিল্লায়
-
খ
বঙ্গোপসাগর
-
গ
সিলেট
-
ঘ
ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া
-
ঙ
কোনটিই নয়
বর্তমানে বাংলাদেশে ২৯টি চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ইলিশা-১, ভোলা জেলা। প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
আপনার দেওয়া তথ্যটি ২০২৩-২৪ সালের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রায় সঠিক। তবে, ২০২৫ সালের প্রেক্ষাপটে কিছু নতুন উন্নয়ন এবং পরিকল্পনা রয়েছে যা যুক্ত করা যেতে পারে:
গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা: বর্তমানে বাংলাদেশে ২৯টি চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। তবে, ২০২৫ সালের জুনে, জামালপুরে ৩০তম গ্যাসফিল্ড আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। প্রাথমিকভাবে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং বাণিজ্যিক উত্তোলনযোগ্য কিনা তা ডিএসটি (Drill Stem Test) শেষে জানা যাবে। যদি এটি বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য প্রমাণিত হয়, তবে গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ৩০-এ উন্নীত হবে।
প্রথম গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে আবিষ্কৃত হয়। এটি অপরিবর্তিত।
সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র (উল্লেখযোগ্য): ভোলা জেলায় অবস্থিত ইলিশা-১ (এটি ২৯তম)। তবে, ২০২৫ সালের জুন মাসের তথ্য অনুযায়ী, জামালপুরে নতুন একটি সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে যা ৩০তম হতে পারে। ভোলায় সম্প্রতি ৫ টিসিএফ (ট্রিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সম্পদ আবিষ্কৃত হয়েছে, যার মধ্যে শাহবাজপুর এবং ইলিশা-১ এ ২.৪৩ টিসিএফ এবং চর ফ্যাশনে ২.৬৮৬ টিসিএফ রয়েছে।
প্রথম গ্যাস উত্তোলন: ১৯৫৭ সালে শুরু হয়। এটি অপরিবর্তিত।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র: তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। এটি এখনও বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। তবে, শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য এবং এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।
২০২৫ সালের পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ:
- সরকার ২০২৫ সালে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ambitious পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেখানে ৩৪টি নতুন গ্যাসকূপ খনন, অনুসন্ধান এবং উন্নয়ন এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন আরও ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ করা এবং ব্যয়বহুল এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো।
- এই উদ্যোগে ১৪টি কূপ বাপেক্স (BAPEX) এবং ২০টি আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিদেশী কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হবে।
- ৩১টি কূপ সংস্কারের (Renovation) কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ১৬টি কূপের কাজ শুরু হয়েছে এবং ৭টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়িয়েছে।
- ২০২৫ সাল নাগাদ আবাসিক গ্যাস সরবরাহ ২৫% কমে যেতে পারে বলে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি বর্তমান হারে উৎপাদন অব্যাহত থাকে।
- ২০২৫ সালের মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (SGFL) এর অধীন ক্ষেত্রগুলো থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
- ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার জন্য ভোলা-বরিশাল এবং বরিশাল-খুলনা গ্যাস পাইপলাইন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- মার্কিন তেল-প্রধান শেভরনও বাংলাদেশে ব্লক-১১ এবং ব্লক-১২ এর বর্ধিত এলাকায় নতুন গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বিড করেছে।
সংক্ষেপে, ২৯টি চলমান গ্যাসক্ষেত্র থাকলেও, ২০২৫ সালে একটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে (জামালপুর), এবং দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা ও সংস্কার কাজ চলছে। তিতাস এখনও বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র, তবে বিবিয়ানা একটি প্রধান উৎপাদনকারী।
Related Question
View All-
ক
ঢাকা
-
খ
রাঙামাটি
-
গ
সিলেট
-
ঘ
চট্টগ্রাম
-
ক
অ্যাটর্নি জেনারেল
-
খ
স্পীকার
-
গ
প্রধানমন্ত্রী
-
ঘ
রাষ্ট্রপতি
-
ক
পদ্মা
-
খ
মেঘনা
-
গ
যমুনা
-
ঘ
তিস্তা
-
ক
লালমনিরহাট
-
খ
নীলফামারী
-
গ
রংপুর
-
ঘ
সব কয়টি
-
ক
১৬৫১ সালে
-
খ
১৬৪৮ সালে
-
গ
১৬৫৭ সালে
-
ঘ
১৬৫৮ সালে
-
ক
৯টি
-
খ
৮টি
-
গ
১০টি
-
ঘ
১১টি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন